রবিবার; ১৬ জুন, ২০২৪ খ্রি. Dashboard

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন দিন
সর্বশেষ :
হু হু করে বাড়ছে তিস্তার পানি, নদীপাড়ে আতঙ্ক কুড়িগ্রামের উলিপুরে নিরাপত্তা নিশ্চিতে ৩২টি সিসি ক্যামেরা বসালো পুলিশ ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কুড়িগ্রামে ব্যস্ত সময় পার করছেন কামারেরা কুড়িগ্রামে বিভিন্ন পশুর হাটে জেলা পুলিশের নিরাপত্তা জোরদার কুড়িগ্রামের চর রাজিবপুরে সরকারি বিতরণকৃত চাল জব্দ
16 December

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

বগুড়ায় আবাসিক হোটেলে স্ত্রী ও শিশু সন্তানকে হত্যা

প্রকাশিত: রবিবার; ২ জুন, ২০২৪ খ্রি. - ০৩:৪৯ পি.এম. | দেখেছেন: ৭৬ জন।

বগুড়ায় আবাসিক হোটেলে স্ত্রী ও শিশু সন্তানকে হত্যা

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক:

 

বগুড়ার বনানী এলাকার একটি আবাসিক হোটেলে এক নারী ও তাঁর ১১ মাস বয়সী সন্তান খুন হয়েছে। আজ রোববার তাদের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার রাতের কোনো এক সময় তাদের হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

নিহত ওই নারীর নাম আশা মনি। আর শিশু সন্তানের নাম আবদুল্লাহ হেল রাফি। আশা মনির স্বামীর বাড়ি বগুড়ার ধুনট উপজেলায়। তাঁর স্বামীর নাম আজিজুল হক। তিনি সেনাসদস্য হিসেবে চট্টগ্রামে কর্মরত ছিলেন। 

 

পুলিশসূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন বছর আগে আজিজুলের সাথে বিয়ে হয় আশা মনির। সন্তান হওয়ার পর থেকেই আশা তাঁর বাবার বাড়ি বগুড়ার নারুলীতে থাকতেন। এর মধ্যে দুই মাসের ছুটিতে বাড়ি আসেন আজিজুল। ছুটি শেষে শনিবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রামে যাওয়ার কথা তাঁর। কিন্তু সন্ধ্যা সাতটার দিকে বনানীর ওই হোটেলে ওঠেন তাঁরা। রাত সাড়ে নয়টার দিকে হোটেল থেকে বের হন আজিজুল। পরে তাঁর স্ত্রী ও ছেলে হারিয়ে গেছে বলে শ্বশুরকে সাথে নিয়ে বগুড়া শহরের বিভিন্ন এলাকায় খোঁজাখুঁজি করেন।

 

হোটেল কর্তৃপক্ষ জানায়, শনিবার সন্ধ্যায় তমা ও মিরাজ পরিচয়ে হোটেলে ওঠেন আজিজুল ও আশা মনি। বাড়ি উল্লেখ করেন রংপুরের পীরগঞ্জ। হোটেলের ম্যানেজার রবিউল ইসলাম বলেন, ‘সকালে হোটেলে এসে আজিজুল জানান তিনি হোটেলের রুম ছেড়ে দেবেন। এই সময় রুম বুঝে চাইলে তালবাহানা শুরু করে আজিজুল। এক পর্যায়ে স্ত্রী ও সন্তানকে হত্যার কথা জানান।’

 

আজ রোববার হোটেল কর্তৃপক্ষ এই হত্যার ঘটনা পুলিশকে জানায়। এরপর থেকে আজিজুল পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। পুলিশ জানায়, আজিজুল একজন সেনা সদস্য। স্ত্রী ও সন্তানকে হোটেল কক্ষে শনিবার সন্ধ্যা ৭ টা থেকে ৯টার মধ্যে পরিকল্পতভাবে হত্যা করেন তিনি। ঘটনাস্থল থেকে হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি ও রামদা উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আজিজুল জানান, হত্যার পর করোতোয়া নদীতে শিশু রাফির মাথা ফেলে দিয়েছেন তিনি। পরে বউ ও ছেলে হারিয়ে গেছে বলে শ্বশুরকে সাথে নিয়ে বগুড়া শহরের বিভিন্ন এলাকায় খোঁজাখুঁজি করেন।

 

তদন্তে পুলিশের সিআইডি, ডিবিসহ একাধিক টিম ও সেনাবাহিনীর একটি দল ঘটনাস্থলে আসেন। শিশুটির মাথা উদ্ধারে কাজ করছে ডিবি ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিদল।

 

এদিকে ঠিক কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড তা জানা যায়নি। স্বজনেরা জানান, তাঁদের মধ্যে কোনো কলহ ছিল না। তবে আশা মনির বাবা আশাদুল ইসলামের অভিযোগ, যৌতুকের জন্য তাঁর মেয়ে ও নাতিকে খুন করা হয়েছে।

 

 

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন