রবিবার; ১৬ জুন, ২০২৪ খ্রি. Dashboard

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন দিন
সর্বশেষ :
হু হু করে বাড়ছে তিস্তার পানি, নদীপাড়ে আতঙ্ক কুড়িগ্রামের উলিপুরে নিরাপত্তা নিশ্চিতে ৩২টি সিসি ক্যামেরা বসালো পুলিশ ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কুড়িগ্রামে ব্যস্ত সময় পার করছেন কামারেরা কুড়িগ্রামে বিভিন্ন পশুর হাটে জেলা পুলিশের নিরাপত্তা জোরদার কুড়িগ্রামের চর রাজিবপুরে সরকারি বিতরণকৃত চাল জব্দ
16 December

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

সিলেটে কোরআন পোড়ানোর ঘটনায়, আটক-২

প্রকাশিত: মঙ্গলবার; ৮ আগস্ট, ২০২৩ খ্রি. - ০৫:৩৩ পি.এম. | দেখেছেন: ২৯৩ জন।

সিলেটে কোরআন পোড়ানোর ঘটনায়, আটক-২

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

রবিবার (৬ আগস্ট) রাত ১১টায় হঠাৎ উত্তাল হয়ে পড়েছে সিলেট মহানগরের আখালিয়া এলাকা।

আখালিয়ার ধানুপাড়াস্থ আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের প্রিন্সিপাল ও চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে পবিত্র কুরআন শরিফ পুড়ানোর অভিযোগ তুলে সে এলাকায় স্থানীয় জনতার মাঝে উত্তেজনা দেখা দেয়।

খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের প্রিন্সিপাল ও চেয়ারম্যানকে প্রতিষ্ঠানটির একটি কক্ষে আটকে রেখে ক্ষুব্দ জনতার। পুলিশ গিয়ে লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে  জনতাকে সরিয়ে ওই দু’ব্যক্তিকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা কোরআন শরীফ পুড়িয়ে ফেলার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে- আটক দু’জনের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন- রাত ১১টার দিকে ওই স্কুলের সামনে কোরআন শরীফ পোড়ানোর দৃশ্য দেখেন স্থানীয় লোকজন। এ সময় তারা বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন। এবং কোরআন পোড়ানোর ঘটনায় ওই স্কুলের চেয়ারম্যান নুরুর রহমান ও শিক্ষক মাহবুবুল আলমকে গণপিটুনি দেয়। পরে স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর মখলিসুর রহমান কামরান ও পুলিশ গিয়ে তাদের জনতার হাত ধরে উদ্ধার করে স্কুলের একটি কক্ষে আটকে রাখেন।

এ ঘটনা ছড়িয়ে পড়লে রাতে হাজারো জনতা বিক্ষুব্ধ হয়ে স্কুলের সামনে অবস্থান নেয়। এবং অভিযুক্ত দু’জনের শাস্তির দাবি করেন। এ সময় পুলিশ আটক দুই অভিযুক্তকে নিয়ে থানায় আসতে চাইলে জনতা বাধা দেয়।

এ সময় পুলিশ কয়েক রাউন্ড টিয়ার শেল নিক্ষেপ ও ফাঁকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে আটক দু’ব্যক্তিকে নিয়ে থানায় চলে আসে। এর আগে জনতা সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কেও অবস্থান নিয়েছিলো। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর সদস্যরা রাত ২টার দিকে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। 

 

সিলেট মহানগর পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) আজবাহার আলী গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন- কোরআন শরীফ পোড়ানোর ঘটনায় আটক দু’জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। কোরআন পোড়ানোর ঘটনায় তাদের সম্পৃক্ততা থাকার বিষয়টির প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। কোতোয়ালি থানার ওসি আলী মো. মাহমুদ জানিয়েছেন- এ ঘটনায় আটক দু’জনকে অভিযুক্ত করে থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। রোববার রাতের ঘটনায় পুলিশের কয়েকজন সদস্যও আহত হয়েছেন বলে জানান তিনি।

 

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন