বৃহস্পতিবার; ৩ এপ্রিল, ২০২৫ খ্রি. Dashboard

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন দিন
সর্বশেষ :
৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ রংপুর পীরগাছার ইউএনও নাজমুল হকের বিরুদ্ধে ফুলবাড়ীতে ঈদ পুর্নমিলনী-২০২৫ অনুষ্ঠিত অপহরণ চেষ্টার মামলায় ছাত্র সমন্বয়ক গ্রেফতার গঙ্গাচড়ায় জামায়াতে ইসলামীর ঈদ পুনর্মিলনী আলোচনা সভা ও মোটরসাইকেল র‍্যালি অনুষ্ঠিত সারিয়াকান্দিতে মানবকল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ

বরিশালে থেকেই কাফরুলের আলোচিত গণধর্ষণ মামলার ১ নম্বর আসামি সাইফুল্লাহ

প্রকাশিত: মঙ্গলবার; ৪ মার্চ, ২০২৫ খ্রি. - ০৮:০৬ পি.এম. | দেখেছেন: ৫৪ জন।

বরিশালে থেকেই কাফরুলের আলোচিত গণধর্ষণ মামলার ১ নম্বর আসামি সাইফুল্লাহ

 

বিশেষ প্রতিনিধি,

 

গণমাধ্যমে সম্প্রতি একটি বিতর্কিত ঘটনা উঠে এসেছে, যা ২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫ তারিখে ঢাকার কাফরুল থানা এলাকার একটি আবাসিক হোটেলে সংঘটিত এক গণধর্ষণ মামলার পরিপ্রেক্ষিতে।


তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায় যে, কাফরুল থানা এলাকায় ঘটে যাওয়া এই নেক্কারজনক ঘটনা সম্পর্কে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে, বিভিন্ন উৎস থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রধান অভিযুক্ত ব্যক্তি, সিনিয়র সাংবাদিক মো. সাইফুল্লাহ, ঘটনার দিন বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার কলশকাঠিতে তার নিজ বাড়িতে অবস্থান করছিলেন।


এ বিষয়ে একটি বড় প্রশ্ন উঠে আসে, তা হল, কীভাবে গণমাধ্যম কর্মীরা নিশ্চিত হলেন যে সাইফুল্লাহ ওই দিন বরিশালে ছিলেন।


তথ্য অনুসন্ধান চালিয়ে দেখা যায় যে, ১ ফেব্রুয়ারী থেকে ৫ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত সাইফুল্লাহর কললিস্ট পরীক্ষা করা হয়, যেখানে প্রমাণ মেলে যে তিনি ওই সময় বরিশালেই অবস্থান করছিলেন।


তবে, এ প্রশ্ন উঠছে যে, তাহলে কি সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে ছিল? যে নারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তিনি পেশাদার পতিতা হিসেবে পরিচিত এবং এর আগে একাধিকবার পতিতা বৃত্তির অভিযোগে আটক হয়েছেন।


এখন, প্রশ্ন হলো কেন সাইফুল্লাহকে এই ঘটনায় জড়ানো হচ্ছে? বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন যে, সাইফুল্লাহ ও ধর্ষণের শিকার নারীর বান্ধবীর মধ্যে বিরোধের কারণে, পূর্বপরিকল্পিতভাবে সাইফুল্লাহকে এই অভিযোগে জড়ানো হয়েছে।


তবে, তদন্ত চলমান রয়েছে এবং এখনও মূল সত্য বের করা সম্ভব হয়নি।
মোঃ সাইফুল্লাহ নিজ বাড়িতে অবস্থান করেছিলেন এবং তাহার এক বিবাদী গ্রুপের মামলায় সাইফুল্লাহ পটুয়াখালী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে বাদী হিসেবে হাজিরা দিয়েছেন যাহার সারটিফাই কপি প্রকাশ করা হবে। এছাড়া সাংবাদিক সাইফুল্লাহ অন্য একটা মামলার বাদী হিসেবে গত ১৯/২/২৫ তারিখ ঢাকা জেলা অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে হাজিরা দিতে গেলে বিবাদী আফরোজা আক্তার আঁখি তার ভাই গুলজার গনধর্ষণ মামলার মিথ্যা ষড়যন্ত্রের শিকার এক বিবাদী মোঃ সাইফুল্লাহ কে চিহ্নিত করার জন্য মিথ্যা মামলার বাদী কে উক্ত এডিএম কোর্টের ভিতর বসিয়ে রাখে এবং চিনিয়ে দেয়। 

এছাড়া উক্ত গনধর্ষণ মামলায় বিবাদী সাইফুল্লাহর এন আইডি অনুযায়ী নাম ঠিকানা দেয় যা একমাত্র আফরোজা আক্তার আঁখি এর কাছে এবং আদালতে এবং বিবাদী আফরোজা আক্তার আঁখির আইনজীবীর কাছে রয়েছে। এছাড়া গত উনিশ তারিখ বাদী সাইফুল্লাহ এর আইনজীবী কে মিমাংসার কথা বলে হোটেলে খাবে আপোষ মিমাংসার জন্য আলোচনা করবে বলে বিজ্ঞ সি এম এম কোর্ট ঢাকা এর লোহার গেইটের বাহিরে গেলে  বিবাদী আফরোজা আক্তার আঁখি এবং তার ভাই গুলজার ধস্তাধস্তি করে কাফরুল থানার ওসি তদন্ত রুবেল মল্লিক এবং এস আই বাসার সাইফুল্লাহ কে ধরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে তখন সাইফুল্লাহ এর এডভোকেট শাখাওয়াত হোসেন এবং মহুরী রোকন এছাড়া গেটের বাহিরে থাকা আইনজীবীরা এস আই বাসার কে পেপারস দেখাতে বললে এস আই বাসার বলেন পেপার দেখানো যাবে না এরপর বেশ কিছু আইনজীবী মিলে সাইফুল্লাহ কে এক পর্যায়ে রেখে দেয় সাইফুল্লাহ এর আইজীবী আহত হয়।

এতে প্রমাণিত হয় বাদী সাইফুল্লাহ কে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর জন্য বিবাদী আফরোজা আক্তার আঁখি পরিকল্পিত ভাবে কাফরুল থানার কোনো কর্মকর্তাকে প্রভাবিত করে এই ন্যাক্কারজনক মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর জন্য জড়িয়ে দিয়েছে যা সন্দেহ হয়। পরবর্তীতে দেখা সাইফুল্লাহ এর বিবাদী আফরোজা এবং গনধর্ষণ মামলার বাদী কথিত নাসরিন এবং সাইফুল্লাহর আইনজীবী এক জায়গায় দাঁড়িয়ে কথা বলেন। গনধর্ষণ মামলায় বিবাদী সাইফুল্লাহ কে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে এটাই কি যথেষ্ট প্রমাণ বহন করে না।


ঢাকা সিএমএম কোর্টের সামনে সিসি ফুটেজ এবং বিবাদী সাইফুল্লাহর  ০১৭২৪৭৬৫৫১৬ নাম্বার এর সিডি আর গনধর্ষণ মামলার ঘটিত সময়ের সাথে যদি মিলিয়ে দেখা হয় তাহলে দেখবেন সে ১/২/২৫ তারিখ থেকে ৪/২/২৫ বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত নিজ বাড়ি তথা বরিশাল নথুল্লাবাদ অবস্থান।


আরো উল্লেখ্য থাকে যে গত ১৯/২/২৫ তারিখ যে পরিস্থিতি কাফরুল থানার ওসি তদন্ত রুবেল মল্লিক এবং এস আই বাসার কাগজ পত্র ছাড়া হেনস্তা করেছে এবং সাইফুল্লাহ যে মামলার বাদী সেই মামলার আসামি এস আই বাসার এর হাতে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য চেষ্টা করেছে ঢাকা সি এম এম কোর্ট এর সামনের সিসি ক্যামেরা ফুটেজ দেখলে আরো স্পষ্ট হবে যে গনধর্ষণ মামলায় মিথ্যা ভাবে ফাঁসিয়ে দেওয়ার জন্য আফরোজা আক্তার আঁখি দায়ী হবে তার সাথে আফরোজা আক্তার আঁখি এর কথিত স্বামী ছদ্মনাম আলামিন কুয়েত থাকে সে এবং আবুল হোসেন সবুজ আল হায়াত আবাসিক হোটেল সায়েদাবাদ জনপথ মোর যে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র হত্যা মামলার আসামি এরা একটা প্রতারক চক্র জড়িত।


গনধর্ষণ মামলার বিবাদী সাইফুল্লাহর নারী বান্ধবী আফরোজা আক্তার আঁখি সাইফুল্লাহ এর কাছে থেকে জোর করে আটকিয়ে একটা চক্র দিয়ে এর আগে প্রশাসন ছাড়া মামলা ছাড়া হ্যানক্যাফ পড়িয়ে মারধর করে কাবিন নামায় স্বাক্ষর নেয় এবং টাকা পয়সা হাতিয়ে নিয়ে ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দেয় যে ঘটনার সাথে কথিত স্বামী আলামিন কুয়েত, আবুল হোসেন সবুজ গোল্ডেন আলী ওরফে সোহেল সরকার জড়িত ছিল এরপর যখন এদের বিরুদ্ধে মোঃ সাইফুল্লাহ মামলা দায়ের করে এই মামলায় আফরোজা আক্তার আঁখি বুঝতে পারে যে স্বাক্ষী হয়ে গেলে সে ফেসে যাবে তাই গনধর্ষণ মামলার বাদী আফরোজা আক্তার এর চক্রের সদস্য ও বান্ধবী কে দিয়ে সাইফুল্লাহ কে এক নাম্বার আসামি করানো হয়। 

এছাড়া ১৯/২/২৫ তারিখ সিএমএম আদালতের সামনে ঘটে যাওয়া ঘটনার পর আফরোজা আক্তার আঁখি এবং কথিত স্বামী আলামিন কুয়েত থেকে সাইফুল্লাহ এর হোয়াটসঅ্যাপ এ বিভিন্ন ভাবে ফোন দেয় যাহা স্ক্রীন সর্ট দিয়ে রাখা হয়েছে এবং ইমু আইডি তে আলামিন পোষ্ট দিয়েছে চাচা তৈরি থাকো দুই একদিনের মধ্যে তোমার গ্রামের বাড়িতে আরো দুইটা ওয়ারেন্ট এর কপি যাইবে আমি গাজীপুরের পোলা তোলা ১০০ টাকা।


সর্বশেষ দেখা যাচ্ছে পতিত স্বৈরাচার পলাতক হাসিনার সময়ের চেয়ে এখনও পুলিশের ভিতরে কোনো পরিবর্তন হয় নাই।তা নাহলে আসামি সাইফুল্লাহ যেখানে বরিশালের বাড।

 

 

 

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন দিন