সোমবার; ১৬ মার্চ, ২০২৬ খ্রি. Dashboard

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন দিন
সর্বশেষ :
কুড়িগ্রামের চিলমারীর ব্রহ্মপুত্র ঘাটে হাউসবোট 'মাস্তুল' এর অবৈধ ভ্রমণ বাণিজ্য, রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস পালিত কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ, অভিযুক্ত শিক্ষক পলাতক কুড়িগ্রামে ঝড়ে নৌকার দড়ি ছিঁড়ে মালিকের মৃত্যু, নিখোঁজ-১ রাজশাহীতে সাংবাদিক নেতার ওপর হামলা : মূল আসামিরা অধরা, পুলিশের ভূমিকায় ক্ষোভ

কুড়িগ্রামে ঝড়ে নৌকার দড়ি ছিঁড়ে মালিকের মৃত্যু, নিখোঁজ-১

প্রকাশিত: রবিবার; ১৫ মার্চ, ২০২৬ খ্রি. - ১১:৩২ পি.এম. | দেখেছেন: ২৬ জন।

কুড়িগ্রামে ঝড়ে নৌকার দড়ি ছিঁড়ে মালিকের মৃত্যু, নিখোঁজ-১

আনোয়ার সাঈদ তিতু,

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:-

 

 

কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী উপজেলায় আকস্মিক কালবৈশাখি ঝড়ের কবলে পড়ে মিন্টু মিয়া (৩৮) নামে এক নৌকার মালিকের মৃত্যু হয়েছে। 

এ ঘটনায় ফরিদ হো‌সেন (৩২) নামে আরেক নৌকার মালিক ব্রহ্মপুত্র নদের পানিতে নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজের প্রায় ১৬ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখনো তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। শনিবার (১৪ মার্চ) রাত সাড়ে ৮টার দিকে কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী উপজেলার কড়াইবরিশালের গাজীরপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে হঠাৎ আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে প্রবল দমকা হাওয়াসহ কালবৈশাখি ঝড় শুরু হয়। 

এসময় ব্রহ্মপুত্র নদের ঘাটে বাঁধা নিজেদের নৌকা দেখতে যান নৌকার মালিক মিন্টু মিয়া ও ফরিদ হো‌সেন। ঝড়ের তীব্রতায় ঘাটে বাঁধা একটি নৌকা দড়ি ছিঁড়ে মিন্টু মিয়ার শরীরের ওপর আছড়ে পড়লে তিনি গুরুতর আহত হন ও ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। অন্যদিকে ঝড়ের তাণ্ডবে ফরিদ মিয়া ব্রহ্মপুত্র নদের পানিতে পড়ে নিখোঁজ হন বলে স্থানীয়রা জানান। নিখোঁজ ফরিদ হোসেনকে খুঁজে পেতে স্বজন ও স্থানীয়রা রাত থেকেই নদীতে খোঁজাখুঁজি চালালেও এখন পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান মেলেনি। 

নিহত মিন্টু মিয়া ওই এলাকার শাহার উদ্দিনের ছেলে ও নিখোঁজ ফরিদ হোসন ইসহাক আলীর ছেলে বলে জানা গেছে। স্থানীয় ইউপি সদস্য আঙ্গুর মিয়া জানান, ঘাটে বাঁধা নৌকা দেখতে গিয়ে আকস্মিক ঝড়ের কবলে পড়েন তারা। এসময় একটি নৌকা মিন্টু মিয়ার শরীরের ওপর আছড়ে পড়লে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় ও ফরিদ হোসন নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন। 

রোববার সকাল ৯টার দিকে মিন্টু মিয়ার দাফন সম্পন্ন হয়েছে। তবে নিখোঁজ ফরিদ মিয়াকে উদ্ধারে স্বজন ও এলাকাবাসী এখনো নদীতে খোঁজাখুঁজি চালিয়ে যাচ্ছেন। এ বিষয়ে চিলমারী মডেল থানার ডিউটি অফিসার এএসআই আসমা আক্তার বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। 

খোঁজ নিয়ে বিস্তারিত পরে জানানো যাবে।

 

 

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন