রবিবার; ৫ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রি. Dashboard

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন দিন
সর্বশেষ :
কালীগঞ্জের অপেক্ষার পরেও মিলছে না তেল! তুষভান্ডার রওশন ফিলিং স্টেশনে অনিয়মের অভিযোগ প্রতারণার শিকার হয়ে এখন, নিজেই এখন প্রতারক! লিবিয়ায় জিম্মি রেখেছে চার বাংলাদেশীকে কুড়িগ্রামে ধানক্ষেতে জাতীয় স্মৃতিসৌধের নকশা ফুটিয়ে তুললেন স্কুলশিক্ষক চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিপুল মাদকসহ আটক-১ তিস্তার চরাঞ্চলে পেঁয়াজ, রসুন ও আলু উৎপাদনের খরচ উসুল নিয়ে চিন্তায় কৃষক

কুড়িগ্রামে ধানক্ষেতে জাতীয় স্মৃতিসৌধের নকশা ফুটিয়ে তুললেন স্কুলশিক্ষক

প্রকাশিত: শনিবার; ৪ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রি. - ০৯:৩৪ পি.এম. | দেখেছেন: ২৫ জন।

কুড়িগ্রামে ধানক্ষেতে জাতীয় স্মৃতিসৌধের নকশা ফুটিয়ে তুললেন স্কুলশিক্ষক

আনোয়ার সাঈদ তিতু,

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:-

 

 

কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মোঃ জাফর সাদিক আবারো আলোচনায়। এবার বেগুনি চারা দিয়ে ধানক্ষেতে জাতীয় স্মৃতিসৌধের আদল ফুটিয়ে তুলেছেন তিনি। 

এর আগে ধানক্ষেতে জাতীয় ফুল, পতাকা আর দেশের মানচিত্রের নকশা ফুটিয়ে তুলেছিলেন এই স্কুলশিক্ষক। জাফর সাদিক তার মাস্টার সিডের ১ নং প্রজেক্টে চলতি বোরো মৌসুমে প্রায় ১৭ বিঘা জমিতে ব্রি ধান ১০০, ১০২,১০৮,১১৩,১১৪, রড মিনিকেট, বাসমতি ও ব্লাকরাইস জাত চাষ করেছেন।

সেই প্রজেক্টে ব্রি ধান ১১৩ এর ক্ষেতে বেগুনি ধানের চারা দিয়ে স্মৃতিসৌধ এঁকেছেন। তিনি পেশায় শিক্ষক হলেও কৃষির প্রতি আলাদা ভালোবাসা রয়েছে মোঃ জাফর সাদিকের। নিয়মিত পাঠদানের পাশাপাশি তিনি নিজের জমিতে চাষাবাদ করেন। উলিপুর মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এই শিক্ষক বলেন, ‘শিক্ষকতা আমার পেশা, কৃষি আমার নেশা, আর দেশপ্রেম আমার রক্তে মিশে থাকা বিশ্বাস। সেই বিশ্বাস থেকেই কৃষিক্ষেত্রকে দেশপ্রেম জাগানোর সৃজনশীল মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করছি।

উলিপুর টু রাজারহাটের ব্যস্ততম সড়কের ধারে থাকা তার ধানক্ষেত প্রতিদিন শত শত মানুষের নজর কাড়ে। দূর থেকেই দেখা যায় ধানের চারা দিয়ে তৈরি স্মৃতিসৌধের নকশা। পথচারীদের অনেকেই থেমে ছবি তোলেন এবং স্মরণ করেন স্বাধীনতার রক্তঝরা ইতিহাস। মোঃ জাফর সাদিক বলেন, ‘প্রজন্মকে ইতিহাস জানতে হবে। 

বিদ্যালয়ে আমি বইয়ের মাধ্যমে শেখাই, আর মাঠে মাটির মাধ্যমে তুলে ধরি সেই ইতিহাসের বীরত্ব।” তার এই ব্যতিক্রমী প্রয়াস স্থানীয়ভাবে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। ধানক্ষেতে তোলা স্মৃতিসৌধের এই প্রতিচ্ছবি সামাজিক মাধ্যমেও ভাইরাল হয়েছে। 

অনেকে মন্তব্য করেছেন এটি শুধু এক কৃষকের শিল্প নয়, বরং শহীদদের প্রতি এক নীরব শ্রদ্ধাঞ্জলি এবং দেশপ্রেমের জীবন্ত উদাহরণ।

 

 

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন