শুক্রবার; ৩ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রি. Dashboard

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন দিন
সর্বশেষ :
কুড়িগ্রামে মাটি খননকালে মরিচাধরা গ্রেনেড সদৃশ্য বস্তু উদ্ধার কুড়িগ্রামে ভাইরাল তাজুর পাশে নাগেশ্বরী উপজেলা প্রশাসন নাচোল থানার হাল ধরলেন ওসি সুকোমল চন্দ্র দেবনাথ কুড়িগ্রামের চিলমারীর জোড়গাছ হাটের সড়কের বেহাল দশা, ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ মনোহরদীতে মাদকবিরোধী অভিযানে নারী আটক, ইয়াবা উদ্ধার

কুড়িগ্রামে বিদ্যালয়ে তালা, গাছতলায় চলছে ক্লাস; প্রতিবাদে মানববন্ধন

প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার; ২ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রি. - ০৯:৩৭ পি.এম. | দেখেছেন: ৩৩ জন।

কুড়িগ্রামে বিদ্যালয়ে তালা, গাছতলায় চলছে ক্লাস; প্রতিবাদে মানববন্ধন

আনোয়ার সাঈদ তিতু,

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:-

 

 

কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার আমবাড়ী ফ্রেন্ডশিপ প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে তালা দেওয়ার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসী। 

বুধবার দুপুর ১টার দিকে কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের আমবাড়ী এলাকায় এ কর্মসূচি পালন করা হয়। দীর্ঘ এক মাস ধরে বিদ্যালয়ের প্রধান ফটক তালাবদ্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, নিয়োগ-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, জমিদাতার পরিবার থেকে শিক্ষক নিয়োগ না দেওয়ায় গত ৫ মার্চ থেকে বিদ্যালয়ের মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান, মোঃ মাসুদ রানা ও মোঃ সোহেল রানার পরিবার থেকে কাঙ্ক্ষিত নিয়োগ না পাওয়ায় তারা এই চরম পথ বেছে নিয়েছেন। বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম নাঞ্জু বলেন, ‘২০১৯ সাল থেকে সুনামের সঙ্গে পরিচালিত এই প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে ২০০-এর অধিক শিক্ষার্থী রয়েছে। তালাবদ্ধ থাকায় এক মাস ধরে বাচ্চারা আমগাছ, জামগাছতলায় কিংবা মানুষের বাড়িতে ক্লাস করছে। চরাঞ্চলে বিকল্প কোনো বিদ্যালয় না থাকায় সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমরা চিন্তিত।

তিনি আরও জানান, অভিযুক্তরা শর্ত দিয়েছেন যে তাদের নিয়োগ দিলেই কেবল তালা খোলা হবে।অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক মোঃ সোহেল রানা দায় অস্বীকার করে বলেন, ‘আমার বাবা মারা যাওয়ার আগেই তালা দিয়েছিলেন। আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না।

মানববন্ধনে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী মোছাঃ ইসরাত জাহান ঐশী ও ষষ্ঠ শ্রেণির মোঃ লিটন মিয়াসহ অন্যান্য শিক্ষার্থী তাদের প্রিয় বিদ্যালয়ে ফিরে যাওয়ার আকুতি জানায়। 

অভিভাবক এম এ সালাম সরকার ও মোঃ আলতাফ হোসেন মাদো ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ব্যক্তিগত স্বার্থে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তারা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

 

 

 

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন