শুক্রবার; ১০ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রি. Dashboard

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন দিন
সর্বশেষ :
লালমনিরহাটের সাবেক এমপি রুমী গ্রেফতার নববর্ষ উপলক্ষে মনোহরদীতে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামের রৌমারীতে ৭৫ পিস ইয়াবাসহ ১ যুবক গ্রেফতার কুড়িগ্রামে তেল সংকটে উত্তেজনা, আটক ২, ইউএনও’র হস্তক্ষেপে মুচলেকায় মুক্তি! কুড়িগ্রামের চিলমারী ইউনিয়ন পরিষদ খোলা থাকলেও, নেই সেবা কর্মকর্তা

কুড়িগ্রামে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ৮ শিশু

প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার; ৯ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রি. - ০৩:৫৬ পি.এম. | দেখেছেন: ২৫ জন।

কুড়িগ্রামে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ৮ শিশু

আনোয়ার সাঈদ তিতু,

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:-

 

 

কুড়িগ্রামে গত এক সপ্তাহে হামের উপসর্গ নিয়ে ৮ জন শিশুকে কুড়িগ্রাম সদর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে চারজন শিশু হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন। 

এছাড়া দুই শিশু বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছে এবং অপর দুই শিশু সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মোঃ নুর নেওয়াজ আহমেদ। 

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে আক্রান্ত শিশুদের জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট, শরীর ব্যথা দেখা দেওয়ায় তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন চারজন শিশু হলো- কুড়িগ্রাম জেলা শহরের খলিলগঞ্জ এলাকার মোঃ ওমর ফারুকের ১৫ মাস বয়সী শিশু আরশ, নাগেশ্বরী উপজেলার মোঃ মফিজুল ইসলামের এক বছরের মেয়ে মাহিয়া, কুড়িগ্রাম জেলা শহরের নিমবাগান এলাকার মোঃ মোফাজ্জলের ১৯ মাস বয়সী ছেলে ফাইয়াজ এবং উলিপুর উপজেলার বজরা ইউনিয়নের মোঃ বকুল মিয়ার দেড় বছরের মেয়ে মুনতাহা। 

মুনতাহার বাবা মোঃ বকুল মিয়া জানান, অসুস্থ মেয়েকে প্রথমে উলিপুর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। সেখানে হামের উপসর্গ দেখা দিলে গত দুই দিন ধরে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে, আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি আরশের বাবা মোঃ ওমর ফারুক বলেন, গত এক সপ্তাহ ধরে তার ছেলে জ্বরে ভুগছে। শরীরে র‌্যাশ এবং প্রসাবে সংক্রমণের লক্ষণও রয়েছে। অসুস্থতার কারণে শিশুটি ঠিকমতো ঘুমাতে পারছে না। তাই পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

ডাঃ মোঃ নুর নেওয়াজ আহমেদ বলেন, এখন পর্যন্ত ৮ জন শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে এসেছে। তাদের নমুনা পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে একজনের ফলাফল নেগেটিভ এসেছে এবং একজন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। 

বাকি ৬ জনের রিপোর্ট এখনো পাওয়া যায়নি। এদের মধ্যে ৪ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আর দুইজন বাড়িতে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছে।

 

 

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন