রবিবার; ১৫ মার্চ, ২০২৬ খ্রি. Dashboard

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন দিন
সর্বশেষ :
কুড়িগ্রামে তিস্তা নদীর তীর সংরক্ষণ কাজে অনিয়মের অভিযোগ, এলাকাবাসীর বাধায় কাজ বন্ধ বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগে কুড়িগ্রামে ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেফতার তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ দ্রুত শুরু হবে, কুড়িগ্রামে ত্রাণমন্ত্রী মোহনপুরে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন বিদ্যানন্দের বড় কড়াই উদ্বোধন করলেন ত্রাণমন্ত্রী, একসাথে রান্না হবে লাখ মানুষের

তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ দ্রুত শুরু হবে, কুড়িগ্রামে ত্রাণমন্ত্রী

প্রকাশিত: শনিবার; ১৪ মার্চ, ২০২৬ খ্রি. - ১১:৩৯ পি.এম. | দেখেছেন: ৫০ জন।

তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ দ্রুত শুরু হবে, কুড়িগ্রামে ত্রাণমন্ত্রী

আনোয়ার সাঈদ তিতু,

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:- 

 

 

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোঃ আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, ‘জাতীয় সংসদের প্রথম দিনেই রাষ্ট্রপতি তিস্তা মহাপরিকল্পনার বিষয়টি উল্লেখ করেছেন। 

এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। রংপুর অঞ্চলের প্রায় দুই কোটি মানুষের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে অল্প সময়ের মধ্যেই তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু করা হবে।’ শনিবার (১৪ মার্চ) বিকালে কুড়িগ্রাম জেলার সদর উপজেলার হলোখানা ইউনিয়নে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিশ্বের ‘সর্ববৃহৎ কড়াইয়ের’ উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন। 

কুড়িগ্রামে বিশ্বের সবচেয়ে বড় কড়াই স্থাপনের দাবি করেছে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন। তাদের ‘মেগাকিচেন’ প্রকল্পের অংশ হিসেবে নির্মিত এই বিশাল কড়াইয়ে একসঙ্গে প্রায় এক লাখ মানুষের জন্য রান্না করা সম্ভব। সুবিধাবঞ্চিত মানুষের খাদ্যসহায়তা নিশ্চিত করা ও দুর্যোগকালে দ্রুত রান্না করা খাবার বিতরণের লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আয়োজকেরা জানান, কড়াইটির আয়তন ৭৭০ বর্গফুট, ব্যাস ৩১ দশমিক ৫ ফুট এবং গভীরতা ৪ দশমিক ৫ ফুট। 

এতে একসঙ্গে প্রায় এক লাখ মানুষের জন্য খাবার রান্না করা যায়। পবিত্র রমজান মাসের প্রথম দিন ১ লাখ মানুষের জন্য রান্না করে কড়াইটির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করা হয়। ত্রাণমন্ত্রী বলেন, ‘শীতসহ তিন ধরনের দুর্যোগ মোকাবিলায় মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে কার্যক্রম শুরু করেছে। গাজীপুরে দুর্যোগ বিষয়ক একটি গবেষণা কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যেখানে দেশি ও আন্তর্জাতিক গবেষকরা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নিয়ে গবেষণা করবেন।

ত্রাণমন্ত্রী জানান, চলতি বছর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় সারাদেশে প্রায় ১ হাজার ৫০০ কিলোমিটার খাল খনন করা হবে, যার মধ্যে কুড়িগ্রাম জেলাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এ ছাড়া টিআর ও কাবিখা কর্মসূচি চলমান রয়েছে। ভবিষ্যতে কোনও এলাকায় বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হলে বিশেষ ত্রাণ (জিআর) প্রদান করা হবে, যাতে কোনও মানুষ কষ্টে না থাকে। 

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ, কুড়িগ্রাম পুলিশ সুপার খন্দকার মোঃ ফজলে রাব্বি, কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ হাসিবুর রহমান হাসিব, সদস্যসচিব মোঃ সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদসহ স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।

 

 

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন