সোমবার; ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ খ্রি. Dashboard

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন দিন
সর্বশেষ :
নরসিংদীতে আসন্ন নির্বাচন উপলক্ষে ৬৬৩ কেন্দ্রে ৮৬১৯ জনবলের বিশাল ‘হাজিরা প্যারেড’ অনুষ্ঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে দাঁড়ি পাল্লার প্রতি বিভিন্ন ধর্ম ও সর্ব শ্রেণির পেশার মানুষের আস্থার প্রতীক -নূরুল ইসলাম বুলবুল গোমস্তাপুরে র‌্যাবের অভিযানে পিস্তল ও দেশীয় অস্ত্রসহ নাশকতার পরিকল্পনা নস্যাৎ কুড়িগ্রাম-১ আসনে জামায়াতকে সমর্থন করে সরে গেলেন গণ অধিকারের প্রার্থী বিন ইয়ামিন মোল্লা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: কুড়িগ্রামে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ

নারীবিদ্বেষী রাজনীতির বিরুদ্ধে চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রতিবাদ অবস্থান

প্রকাশিত: রবিবার; ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ খ্রি. - ১১:০২ পি.এম. | দেখেছেন: ৪৪ জন।

নারীবিদ্বেষী রাজনীতির বিরুদ্ধে চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রতিবাদ অবস্থান

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:

 

 

“নারীবিদ্বেষী রাজনীতির বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলুন, প্রতিবাদ করুন, প্রতিরোধ গড়ুন”—এই স্লোগানকে সামনে রেখে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবের সামনে ৮ ফেব্রুয়ারি (রবিবার) প্রতিবাদ অবস্থান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন কমিটি, দূর্বার নেটওয়ার্ক ও নারী পক্ষ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শাখার যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে শতাধিক নারী অংশগ্রহণ করেন। অবস্থান কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা নারীবিদ্বেষী রাজনীতির বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং প্রতিবাদ জানান। কর্মসূচিতে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, নাটোর ও নওগাঁ—এই চারটি জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত সভানেত্রী মোসাঃ আকসানা খাতুন। 

তিনি বলেন, “নারীর মর্যাদা ও অধিকার ক্ষুণ্ন করে এমন রাজনৈতিক বক্তব্য ও কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। নারীবিদ্বেষী মানসিকতার বিরুদ্ধে সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।”বক্তারা বলেন, সম্প্রতি জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। 

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও বিশিষ্টজনদের মতে, জামায়াতে ইসলামীর আমিরের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট থেকে দেওয়া একটি নারীবিদ্বেষী পোস্ট সাধারণ জনগণের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। এই পোস্টকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী সংগঠনসহ দেশের নানা নারী সংগঠন ও রাজনৈতিক দল একে ‘নারীবিদ্বেষী’ ও ‘মধ্যযুগীয় মানসিকতা’র বহিঃপ্রকাশ বলে আখ্যা দিয়েছে। 

রাজনৈতিক অঙ্গনেও এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদী কণ্ঠ ক্রমেই জোরালো হচ্ছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। বক্তারা আরও বলেন, নারীর প্রতি অবমাননাকর বক্তব্য ও আচরণ বন্ধে রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক দলগুলোর দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে নারীর মানবাধিকার রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান তারা।

 

 

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন